বুধবার, 28 অক্টোবর 2026 · 02:04
সত্য ও ন্যায়ের পথে আপসহীনজনতার কণ্ঠস্বর, মানুষের খবর

গুম-খুন ‘আয়নাঘর’এর মাস্টার মাইন্ড জেনারেল জিয়াউল আহসান এর মানুষ মারার স্টাইল!

03 Sep 2026 • সারাদেশ

গুম-খুন ‘আয়নাঘর’এর মাস্টার মাইন্ড জেনারেল জিয়াউল আহসান এর মানুষ মারার স্টাইল!

ক্রাইম রিপোর্টারঃ কুখ্যাত জেনারেল জিয়াউল আহসান গুলি করার আগে মাথা থেকে  যমটুপি খুলে নিতো। তাকে একবার নৌকার মাঝি জিজ্ঞাসা করেছিল, স্যার টুপি খুলেন কেন? তার উত্তর ছিল মাথায় ঠিকঠাক জায়গায় গুলি না লাগলে মরতে সময় লাগে অনেক্ষণ।

খুব কাছ থেকে গুলি করলে মগজ আর রক্ত ছিটে এসে হাতে লাগতো। সেজন্য জিয়া নৌকায় বালিশ রাখতে বলতো। বালিশে মাথায় ঠেকিয়ে গুলি করতো।

পিশাচ জিয়ার বিরুদ্ধে সাক্ষী দেয়া এক র‍্যাব অফিসার বলেছেন— একবার তাকে তার সিনিয়র ফোন করে বললো জিয়াউল আহসান আসবে, নৌকা রেডি রাখতে।

নৌকায় ৩ জন তরুণকে উঠিয়ে সে নিয়ে গেলো নদিতে।
তারপর জিয়া তাকে বললো মাথায় শুট করতে। এই র‍্যাব অফিসার তাদেরকে চেনেনা, অপরাধী কিনা জানে না, এই বলে গুলি করতে অস্বীকার করে।

তখন জিয়া তাদের প্রথম জনকে মাথায় গুলি করে। শরীরের সাথে ইটের বস্তা বেধে পেট কেটে নদীতে ফেলে দেয়।

২য় জনকে ইনজেকশন পুশ করে, সে তাৎক্ষণিক মারা যায়। তাকেও সেইম কায়দায় পেট কেটে নদিতে ফেলে দেয়।

৩য় জনকে গুলি করে হত্যা করে। এবং পেট কেটে শরীরে ইটের বস্তা বেধে তারপর নদীতে ফেলে দেয়।

জিয়া সাধারণত খুন করতো মাঝ নদীতে। যেন কোনো প্রমান না থাকে। একইভাবে সকলের পেট কেটে ইটের বস্তা বেধে দিতো শরীরের সাথে। যেন লাশ ভেসে না উঠে।

জিয়া শুধু বেসামরিক মানুষকেই গুম খুন করেনি। সামরিক অফিসারদেরকেও গুম খুন করেছে। বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর প্রত্যক্ষ সাক্ষী অনেক অফিসারকেই গুম করে খুন করেছে সে।

পিলখানা হত্যাকান্ডের তদন্তকারীরা একজন প্রত্যক্ষদর্শী অফিসারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খুঁজছিলেন, তখন জিয়া তাদেরকে বলেছিল— “ওকে খুঁজতেসেন কেন? ওকে খুঁজবেন না, ও সুন্দরবনে মাছের পেটে আছে। ওকে টুকরো টুকরো করে ফেলে দেওয়া হইছে।” যখন তারে জিজ্ঞাসা করা হলো কেন এই কাজ করেছে সে। তার উত্তর ছিল “নাম্বার ওয়ানের (হাসিনা) আদেশেই করা হয়েছে।”

জেনারেল জিয়াউল হক্ব পৃথিবীর ইতিহাসে এমন একজন সিরিয়াল কিলার যে নিজ হাতে ১ হাজার মানুষকে খুন করেছে। সঠিকভাবে বললে সংখ্যাটা ১০২৭ জন।

বিশ্বের অন্যতম ভয়ানক সিরিয়াল কিলার হিসেবে যার কুখ্যাতি রয়েছে, কলম্বিয়ার পেদ্রো লোপেজের খুনের সংখ্যা হইলো ২০০ জন।

যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত কিলার H.H HOLMES খুন করেছিল ২০০ জনকে। তবে আনুষ্ঠানিক প্রমাণ মিলেছে মাত্র ২৭ জনের।

অন্যদিকে বাংলাদেশের জেনারেল জিয়াউল আহসান একাই খুন করেছে ১০২৭ জনকে। ক্যাম ইউ ইমাজিন?? পৃথিবীর সবচাইতে কুখ্যাত নাম্বার ওয়ান সিরিয়াল কিলার  এর নাম জেনারেল জিয়াউল আহসান।

এই খুন করেছে আপনার আমার পয়সায় কেনা লিথেল উইপেন, ভেইকেল, আর সমরাস্ত্র ব্যবহার করে। তদন্তকারীদের প্রশ্নের বিপরীতে বার বার  তিনি বলেছেন “নো গিল্টি” অর্থাৎ এতগুলো খুন করেও তার মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই।

জিয়া বরাবরেই  আদালতে এসেছে হাসিমুখে, করতো ঔদ্ধত্য আচরণ। এবং এমন একজন সিরিয়াল কিলারের কোনো হ্যান্ডকাফ কিংবা ডান্ডাবেরি ছিল না।এবারই প্রথম তাকে ট্রাইবুনালে হ্যান্ডকাফ পরিহিত অবস্থায় আদালতে ওঠানো হলো।

সরকার এই খুনীদের বিচার করে দেশবাসীকে স্বস্হি না দিলে অন্যথায় এই জিয়ারা একদিন মুক্তি পেয়ে তারেক রহমানকেও খুন করতে এক সেকেন্ড ভাববে না।

তাকে ফায়ারিং স্কোয়াডে নিয়ে গুলি করে মারতে সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ জানিয়েছে  ফ্যাসিস্ট সরকার আমলে গুম-খুন সহ শারীরিক নির্যাতনের শিকার পরিবারের সদস্যরা।

আরও পড়ুন

পলিমাটির চাদরে যমুনার তীরে, তিল চাষে নতুন বিপ্লব নীড়ে!

ইয়েমেনে জ্বালানি ও চিকিৎসা সামগ্রীর তীব্র সংকটে শহরটির হাজারো মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে!

চিকিৎসা সেবায় যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তিঃরোবোটিক সার্জারির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে জটিল সকল অপারেশন!

বাউফলে(পটুয়াখালী) ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল কার পকেটে?

ক্ষমতা আর কারাগার এই দুই মেরুর মাঝখানে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর অবস্থান!

জনরোষে উত্থাল ফ্রান্সঃ চলমান বিক্ষোভ আন্দোলনে গ্রেপ্তার হাজার ছাড়িয়ে!