বুধবার, 28 অক্টোবর 2026 · 13:13
সত্য ও ন্যায়ের পথে আপসহীনজনতার কণ্ঠস্বর, মানুষের খবর

সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যাকান্ডে শো-বিজ তারকা রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন রহস্যজট!

♦ক্রাইম ডেস্ক|জনতার দেশ : সাংবাদিক সাগর রুনির হ-ত্যাকান্ডের নতুন মোড়। সেই ঘটনায়  ওঠে আসছে মহিলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রোকেয়া প্রাচীর নাম। একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে ভয়ংকর কিছু তথ্য।  প্রতিবেদন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) একটি গুমের ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হ%ত্যা মামলার […]

♦ক্রাইম ডেস্ক|জনতার দেশ :

সাংবাদিক সাগর রুনির হ-ত্যাকান্ডের নতুন মোড়। সেই ঘটনায়  ওঠে আসছে মহিলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক রোকেয়া প্রাচীর নাম।
একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে ভয়ংকর কিছু তথ্য।  প্রতিবেদন রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে,
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) একটি গুমের ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হ%ত্যা মামলার নতুন কিছু ক্লু বা সূত্রের সন্ধান পেয়েছে। এই সূত্রের ভিত্তিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রোকেয়া প্রাচী নতুনভাবে তদন্তের আওতায় আসছেন।

প্রধান তথ্যসমূহ:
নতুন ক্লু: জিয়াউল আহসানের একটি গুম মামলার সিডিআর (কল ডিটেইল রেকর্ড) বিশ্লেষণের মাধ্যমে এক সেনা সার্জেন্টকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখান থেকেই সাগর-রুনি সংক্রান্ত বিস্ফোরক তথ্য বেরিয়ে আসে।

সম্ভাব্য পরিকল্পনা: ২০১১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি (হ%ত্যাকাণ্ডের দুই দিন আগে) জিয়াউল আহসান ওই সার্জেন্টকে ডেকে “আগামী দুই দিনে বড় কিছু ঘটতে পারে” বলে সতর্ক করেন এবং রোকেয়া প্রাচীর কাছ থেকে দুটি ডিস্ক সংগ্রহ করতে বলেন। ওই ডিস্কগুলোর সাথে হ%ত্যাকাণ্ডের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনার পর সাগর ও রুনির দুটি ল্যাপটপ এবং সাগরের মোবাইল নিখোঁজ হলেও রুনির ফোন ও গহনা অক্ষত ছিল। ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম সিডিআর পর্যালোচনার মাধ্যমে এক ‘সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বে’র সম্পৃক্ততার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • সাগর-রুনি হত্যা মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক এখতিয়ারভুক্ত নয় (যেহেতু এটি একটি একক হ%ত্যাকাণ্ড)। তাই ট্রাইব্যুনাল তাদের প্রাপ্ত তথ্য ও সাহায্য পিবিআই (PBI)-কে হস্তান্তর করবে। প্রচলিত ফৌজদারি আদালতেই এর বিচার হবে।
    বলে রাখি, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ফ্ল্যাটে নৃশংসভাবে খু%ন হন মাছরাঙা টিভির বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। ১৪ বছরেরও বেশি সময় পার হলেও এখনো মামলার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েনি এবং সম্প্রতি আদালত ১২৯ বারের মতো প্রতিবেদন জমার সময় বাড়িয়েছেন।

তথ্যসূত্রঃ

# আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রতিবেদন।

# বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ।

ছবি:

# সংগৃহিত।