অসংখ্য গুম হত্যার মাস্টার মাইন্ড জেনারেল জিয়াউল আহসান এর আমল নামা!
02 Sep 2026 • অনিয়ম/দুর্নীতি /অব্যবস্হাপনা।

আ.ক.ম রকিবুল হকঃ
বাংলাদেশে একটা লোকেরও যদি প্রকাশ্যে ফাঁ/ সি কার্যকর করার সুযোগ থাকে সেটা হোক এই জিয়াউল আহসান!
তার ব্যাপারে ভিক্টিমরা যা যা জানাচ্ছে তা গা শিউরে ওঠার মতোই!
আজ ট্রাইব্যুনালে তার নৃশংসতার সাক্ষী এক মাঝি সাক্ষ্য দিয়েছে।
আজ সাক্ষ্য দিতে এসে ট্রলার মাঝি আব্বাস মল্লিক জানিয়েছেন — জিয়াউল আহসান মাঝরাতে বন্দি নিয়ে সুন্দরবনসংলগ্ন চরদুয়ানি বাজারে আসতেন। বন্দিদের গু / লি করে পেট ছিড়ে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেয়া হতো। অনেক বন্দিকে সুন্দরবনে গুলি করে হ * ত্যা করা হতো, পরে সাংবাদিক ডেকে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজানো হতো। সাক্ষ্যে তিনি আরো জানান, অভিযানের দিন বিকালে সাদা পোশাকে দুইজন র্যাব সদস্য এসে স্থানীয় দোকানদারদের সন্ধ্যার পর দোকান বন্ধ রাখতে এবং বাতি নিভিয়ে দেয়ার নির্দেশ দিতেন। এরপর রাত ১১টা থেকে ১২টার দিকে র্যাবের ৪ খেকে ৫টি মাইক্রোবাস বরফ মিলের সামনে এসে থামত। ঢাকা থেকে চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় বন্দিদের নিয়ে এসে ট্রলারে তোলা হতো। বোট ছাড়ার সময় র্যাব সদস্যরা সঙ্গে করে রশি ও সিমেন্টের বস্তা নিতেন।
আব্বাস মল্লিকের জবানবন্দি অনুযায়ী, গভীর পানিতে যাওয়ার পর ট্রলারের গতি কমিয়ে দেয়া হতো এবং ট্রলারের ভেতর থেকে চোখ-হাত বাঁধা বন্দিদের বের করে আনা হতো। ট্রলারের দুই পাশে থাকা সাপোর্ট নামের অংশে বন্দিকে দুইজন র্যাব সদস্য চেপে ধরে রাখতেন। এরপর জিয়াউল আহসান নিজে এসে ওই বন্দির মাথায়, কানে অথবা বুকে গু / লি করতেন।
গু / লির পর মৃ /ত দেহের গলায় অথবা পায়ে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেয়া হতো। লা # শ যেন পানিতে ভেসে না ওঠে, সে জন্য লাশ নদীতে ফেলার আগে পেট কে / টে ফেলা হতো। এরপর সুন্দরবনে নিয়ে অন্য বন্দিদের বোট থেকে নামিয়ে ‘বন্দুকযু দ্ধের’ নাটক সাজিয়ে হ ত্যা করা হতো এবং সাংবাদিকদের ডেকে থানায় লা / শ হস্তান্তর করা হতো।
শেষে বরফ মিলে ফিরে আসার পর মাঝিদের খামে করে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পারিশ্রমিক দেয়া হতো বলে সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন আব্বাস মল্লিক।
এই নর পি শা চ দেরকে যদি প্রকাশ্যে শাস্তি কার্যকর করে তবে ভিক্টিমের পরিবার ও দেশবাসী কিছুটা হলেও স্বস্তি পেত।
