পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে !
23 Aug 2026 • জাতীয় সংবাদ

পলিটিক্যাল ডেস্ক | জনতার দেশঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী টেকনোক্র্যাট হিসেবে গত শুক্রবার শপথ নিয়েছেন হুমায়ুন কবির।এর আগে তিনি ছিলেন প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।
সিলেটে জন্মগ্রহণ করলেও মাত্র আড়াই বছর বয়সে হুমায়ুন কবির পরিবারের সঙ্গে পাড়ি জমান যুক্তরাজ্যে। সেখানে তিনি বেড়ে ওঠেন, নেন উচ্চশিক্ষা। লেবার পার্টির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন তিনি। এক পর্যায়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কী,না।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে চলতি বছরে ১৭ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার পর হুমায়ুন কবির সাধারণ পাসপোর্ট সবুজ জমা দেন সরকারি বা কূটনৈতিক পাসপোর্ট লাল গ্রহণ করেন। কুটনৈতিক সরকারি লাল পাসপোর্ট ব্যবহার করে গত ছয় মাসে তিনি,সৌদিআরব, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, তুরস্ক, ভারত, কাতার সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরিশাস ফিলিপাইন সহ অন্তত ১১ বার বিদেশ সফর করেছেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
যুক্তরাজ্য বিএনপির একাধিক নেতা নিশ্চিত করেছেন যে, হুমায়ুন কবির ব্রিটিশ নাগরিক। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ (রিনাউন্স) করেছেন কী, না- তা তারা নিশ্চিত করতে পারেননি।
উল্লেখ্য জন্মসূত্রে অন্য দেশের নাগরিকরা যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব পেলে জন্মগ্রহণকারী দেশএবং যুক্তরাজ্য -দুই দেশের পাসপোর্ট ই রাখতে পারেন।
বাংলাদেশ সরকারের সূত্রগুলো বলছে হুমায়ুন কবির, নাগরিকত্ব ত্যাগের আবেদন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন এমন তথ্য তাদের কাছে নেই।
বিদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কী,না এ বিষয়ে জানতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির কে গতকাল শনিবার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও এ ব্যাপারে কোন জবাব পাওয়া যায়নি।এ ব্যাপারে বাংলাদেশের সংবিধানে সুস্পষ্ট উল্লেখ আছে,কোন বাংলাদেশির কোন দেশের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হলে কিংবা কোন নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে অংশ গ্রহণ করার আগে বহির্দেশের পাসপোর্ট পরিত্যাগ করতে হবে।দ্বৈত নাগরিক হয়ে কোন নির্বাচনে অংশ গ্রহণ কিংবা রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্বভার গ্রহণের কোন সুযোগ নেই।এই আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতাবলে কেউ কিছু করলে ভবিষ্যতে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ।
