বুধবার, 28 অক্টোবর 2026 · 04:01
সত্য ও ন্যায়ের পথে আপসহীনজনতার কণ্ঠস্বর, মানুষের খবর

সুলতান আবদুল হামিদ খান (২য়)এর গৌরব ময় শাসনের ইতিহাস এবং ওসমানীয় খেলাফতের শেষ অধ্যায়।

29 May 2026 • সারাদেশ

সুলতান আবদুল হামিদ খান (২য়)এর গৌরব ময় শাসনের ইতিহাস এবং ওসমানীয় খেলাফতের শেষ অধ্যায়।

‎ইসলামি ডেস্ক:
ওসমানীয় খেলাফত বিলুপ্তির পর পার হয়ে গেছে ১০২ বছর। মুসলিম উম্মাহর লাঞ্চনাময় জীবনের এই ১০২ বছরে সবচেয়ে বেশি মনে পড়ে প্রিয় সুলতান আব্দুল হামিদ খান দ্বিতীয় (রহঃ) কে। খিলাফতের সর্বশেষ শক্তিশালী, মজলুম ও উম্মাহ দরদী খলিফা হিসাবে সুলতান আব্দুল হামিদ খান দ্বিতীয় (রহঃ) কে ইতিহাসের পাতায় আমি অন্যভাবেই দেখি। যিনি সর্বপ্রথম জায়োনিজম আর ব্রিটিশ ও পশ্চিমা ষড়যন্ত্র ও আধিপত্যকে ভালোভাবে উপলব্ধি করেছিলেন এবং সেই ষড়যন্ত্র ও আধিপত্যের সামনে বুক উঁচু করে বাদশা জুলকারনাইন এর প্রাচীর হয়ে দাড়িয়েছিলেন জীবনের ৩৩টি বছর।
‎
‎দূর্ভাগ্য উম্মাহর, তারা উম্মাহ দরদী সেই মহান মানুষের মূল্যায়ন করতে পারেনি সঠিক সময়ে। অথচ এই উম্মাহকে জায়োনিজম আর ব্রিটিশ ও পশ্চিমা ষড়যন্ত্র ও আধিপত্য থেকে বাঁচিয়ে রাখতে তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তারাই সুলতানের সাথে গাদ্দারী আর বিশ্বাসঘাতকতা করলো। এই জাতি নিজ হাতেই গোলামীর জিঞ্জির তাদের গলায় পরিধান করেছে। যে গোলামীর জিঞ্জির হতে আজো এই উম্মাহ মুক্ত হতে পারতেছে না।
‎
‎উম্মাহর এই সংকটময় সময়ে সুলতান আবদুল হামিদ খান এর শাসনামলের কথাই বেশি মনে পড়ে। কিন্তু কিছুই করার নাই। হারিয়ে যাওয়ার পরেই নাকি যেকোনো জিনিসের কদর, গুরুত্ব উপলব্ধি করা যায়। ইসলামি উম্মাহর হয়েছে তাই। যতদিনে না এই উম্মাহ সুলতান কে চিনতে পারলো ততদিনে তারা পশ্চিমাদের গোলামীতে নিজেদেরকে আবদ্ধ করে ফেলেছে। এই উম্মাহর সাথে সবচেয়ে বেশি গাদ্দারী, মুনাফেকি আর বিশ্বাসঘাতকতা করেছে নিজেদের জ্ঞাতী ভাইয়েরা। যেমন কর্ম তেমন ফল। নিজের কর্মের ফল ভোগ করছে এই উম্মাহ। আরো কতদিন এই গোলামীর জিঞ্জিরে আবদ্ধ থাকতে হয় সেটা উপর ওয়ালাই জানেন।
‎
‎আজ শতবছর পরেও সুলতানকে মুসলিম বিশ্ব ভুলে যায়নি। ইনশাআল্লাহ কেয়ামত পর্যন্ত এই নাম বেঁচে রইবে সুলতান হিসাবে। কিন্তু তারা হারিয়ে গেলো যারা বেঈমানী করেছিল। ইতিহাস যখন সুলতান সম্পর্কে লিখবে তখন ইতিহাস স্বীকার করবে যে, সুলতান আবদুল হামিদই সঠিক ছিলেন। যত দিন পৃথিবী এবং আকাশ থাকবে ইতিহাসে ততদিন তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে। মুসলিম উম্মাহর জন্য করে যাওয়া তাঁর সব অনবদ্য অবদানের কথা। উম্মাহ তাকে কিয়ামত পর্যন্ত শ্রদ্ধাভরে স্বরণ করবে। হে মহান সুলতান আপনি আখিরাত জীবনে ধন্য হোন! কৃতজ্ঞতাহীন দীর্ঘ কষ্ট পোহা এই জাতি তাদের উদ্দেশ্য পূরণ করুক।
‎
‎পরিশেষে, প্রিয় সুলতান আব্দুল হামিদ খান-ই-সানী (রহঃ) আপনার জন্য প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দিন এরবাকান এর ভাষায় বলছি- “জান্নাত মাকান, সুলতান আব্দুল হামিদ খান

তথ্য ঋণ: মো: রমজান ভাই।

# ইতিহাসের অলিগলি থেকে সংগৃহিত।
ছবি: উইকিপিডিয়া।

আরও পড়ুন

পলিমাটির চাদরে যমুনার তীরে, তিল চাষে নতুন বিপ্লব নীড়ে!

ইয়েমেনে জ্বালানি ও চিকিৎসা সামগ্রীর তীব্র সংকটে শহরটির হাজারো মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে!

চিকিৎসা সেবায় যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তিঃরোবোটিক সার্জারির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে জটিল সকল অপারেশন!

বাউফলে(পটুয়াখালী) ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল কার পকেটে?

ক্ষমতা আর কারাগার এই দুই মেরুর মাঝখানে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর অবস্থান!

জনরোষে উত্থাল ফ্রান্সঃ চলমান বিক্ষোভ আন্দোলনে গ্রেপ্তার হাজার ছাড়িয়ে!