বৃহস্পতিবার, 29 অক্টোবর 2026 · 00:17
সত্য ও ন্যায়ের পথে আপসহীনজনতার কণ্ঠস্বর, মানুষের খবর

গাজীপুরে একই পরিবারের ৫ জন কে গলা কেটে হত্যা, মূল ঘাতক পলাতক। সন্দেহ ভাজন আটক-২।

ক্রাইম ডেস্ক: গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক প্রবাসীর বাড়ির ভাড়াটিয়ার সহ একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন ০২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার ৯মে দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফ উদ্দিন । একই দিন সকালে উপজেলার রাউত কোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ি থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার ৮ মে রাতে […]

ক্রাইম ডেস্ক:
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় এক প্রবাসীর বাড়ির ভাড়াটিয়ার সহ একই পরিবারের পাঁচজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন ০২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার ৯মে দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শরিফ উদ্দিন । একই দিন সকালে উপজেলার রাউত কোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ি থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার ৮ মে রাতে তাদের হত্যা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন ঘাতক ফুরকান মিয়ার গাড়ির ব্যবসা সঙ্গে জড়িত দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।
নিহতদের মধ্যে সন্দেহভাজন প্রাইভেট কার চালক পলাতক স্বামী ফুরকান মিয়ার  স্ত্রী শারমিন (৩০) তাদের বড় মেয়ে মিম (১৫) মেজো মেয়ে মারিয়া (৮)ছোট মেয়ে ফারিহা( ২)এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়া ভাই (২২)।
প্রত্যকদর্শীরা জানান, দৃশ্যটি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ। তিন সন্তানের গলাকাটা লাশ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। শারমিনের ভাই রসুলের লাশ ছিল বিছানার ওপর। অন্যদিকে শারমিনের হাতমুখ বাঁধা নিথর দেহ  জানালার পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী মনির হোসেন এর বাড়িতে সপরিবারে ভাড়া থাকতেন ফুরকান মিয়া। শুক্রবার রাতেও পরিবারের সবাইকে স্বাভাবিকভাবে দেখা গেছে। তবে শনিবার সকালে হঠাৎ পাঁচ জনের গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন  স্থানীয়রা।
প্রতিবেশীরা বলছেন ফুরকান ও তার স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই পারি পারিবারিক কলহ হতো। ওই বিরোধের জেরেই তিনি তিন সন্তান ও শ্যালক কে হত্যা করে পালিয়ে যেতে পারেন।
এ ব্যাপারে কাপাশিয়া থানার ওসি শাহিনুর আলম জানান, ফোরকান মিয়া প্রায় এক বছর আগে এ বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন। তার স্হাযী ঠিকানা গোপালগঞ্জ। ব্যবসার সুবাদে সে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় ভাড়া থাকতো।  তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে ফুরকান মিয়া নিজেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে পালিয়ে গেছে।
গাজীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) আশফাক উজ্জামান জানান, লাশগুলো ময়না তদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর  প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং অভিযুক্ত ফুরকান মিয়াকে দ্রুত গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম ইতোমধ্যে অভিযানে নেমেছে।

তথ্য সূত্র

# গাজীপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়।

# কাপাসিয়া থানা

# বিডি নিউজ টুয়েন্টি ফোর ডটকম।

# দৈনিক যুগান্তর।

# দৈনিক ইত্তেফাক।

# দৈনিক প্রথম আলো।