বৃহস্পতিবার, 29 অক্টোবর 2026 · 03:45
সত্য ও ন্যায়ের পথে আপসহীনজনতার কণ্ঠস্বর, মানুষের খবর

প্রটোকলের দেয়াল ভেঙে সরাসরি বাঙ্কারে প্রধানমন্ত্রী: সিংগাইরে সেনা মহড়ায় তারেক রহমান।

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: ​বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে আজ এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হলো দেশ। কোনো রকম পূর্ব নির্ধারিত  আনুষ্ঠানিকতা বা কঠোর প্রটোকলের তোয়াক্কা না করে, সরাসরি মাঠপর্যায়ের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শনে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ​মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯:২০ মিনিটে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অবস্থিত ৯ পদাতিক ডিভিশনের গ্রীষ্মকালীন মহড়া এলাকায় আকস্মিক অবতরণ করেন […]

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:
​বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইতিহাসে আজ এক অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হলো দেশ। কোনো রকম পূর্ব নির্ধারিত  আনুষ্ঠানিকতা বা কঠোর প্রটোকলের তোয়াক্কা না করে, সরাসরি মাঠপর্যায়ের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শনে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
​মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৯:২০ মিনিটে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অবস্থিত ৯ পদাতিক ডিভিশনের গ্রীষ্মকালীন মহড়া এলাকায় আকস্মিক অবতরণ করেন তিনি। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান সশরীরে যুদ্ধকালীন বাঙ্কারে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করলেন এবং সরাসরি সৈনিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন।
​অপ্রত্যাশিত পরিদর্শনে বাঙ্কারের ভেতর কৌশলগত আলোচনা
আভিযানিক পরিবেশের নিয়ম মেনেই প্রধানমন্ত্রী সরাসরি মাটির নিচে তৈরি সেনা বাঙ্কারে প্রবেশ করেন। সেখানে তিনি ‘৮ বীর’ ইউনিটের যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি, আধুনিক সমরাস্ত্রের ব্যবহার এবং ছদ্মবেশে থাকা সৈন্যদের কৌশল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। উপস্থিত ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে দেশের নিরাপত্তা ও কৌশলগত বিষয় নিয়ে সরাসরি মতবিনিময় করেন তিনি।
​সৈনিকদের সাথে মেঝেতে বসে দুপুরের খাবার
মাঠপর্যায়ের সাধারণ সৈনিকদের সাথে একাত্ম হতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রটোকলের সব প্রথা ভেঙে ফেলেন। তিনি আভিযানিক পরিবেশে সাধারণ জওয়ানদের সাথেই বসে তাৎক্ষণিক রান্না করা খাবার ও চা গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন অনাড়ম্বর উপস্থিতি ও সহমর্মিতা মাঠপর্যায়ের সেনা সদস্যদের মাঝে অভূতপূর্ব উদ্দীপনা ও উৎসাহের সঞ্চার করেছে।
​সেনাবাহিনীর সক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ। মহড়া শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব, দেশপ্রেম এবং কঠোর শৃঙ্খলার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী। যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের অখণ্ডতা রক্ষায় সর্বোচ্চ রণপ্রস্তুতি ও পেশাগত দক্ষতা বজায় রাখতে হবে।”
​সেনাবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং যুদ্ধের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন এবং মাঠপর্যায়ের জওয়ানদের বীরোচিত মনোভাবের ভূয়সী প্রশংসা করেন।