বৃহস্পতিবার, 29 অক্টোবর 2026 · 00:18
সত্য ও ন্যায়ের পথে আপসহীনজনতার কণ্ঠস্বর, মানুষের খবর

মসজিদের ইমাম থেকে দুর্ধর্ষ চরমপন্থী নেতা তপন মালিথা ওরফে দাদা তপন এর রোমহষর্ক কাহিনি।

(সংগৃহিত তথ্য) মো: মাহবুবুর রহমান খান: আব্দুর রশিদ মালিথা ওরফে দাদা তপন (৪৫) ছিলেন একজন মাদ্রাসা ছাত্র।কওমী মাদ্রাসার অন্যতম বড় ডিগ্রী দাওরা হাদীস পাশ করা শেষে কুষ্টিয়ার একটি মসজিদের খণ্ডকালীন ইমাম এর চাকুরীতে নিয়োজিত ছিলেন। এরপর ধীরে ধীরে জড়িয়ে যান বাম রাজনীতিতে।একসময়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চরমপন্থী নেতা হন।পারসোনালি Ak-47 ইউজ করতেন।তার ছিল নিজস্ব ডেথ স্কোয়াড।অস্ত্রে […]

(সংগৃহিত তথ্য)
মো: মাহবুবুর রহমান খান:
আব্দুর রশিদ মালিথা ওরফে দাদা তপন (৪৫) ছিলেন একজন মাদ্রাসা ছাত্র।কওমী মাদ্রাসার অন্যতম বড় ডিগ্রী দাওরা হাদীস পাশ করা শেষে কুষ্টিয়ার একটি মসজিদের খণ্ডকালীন ইমাম এর চাকুরীতে নিয়োজিত ছিলেন।

এরপর ধীরে ধীরে জড়িয়ে যান বাম রাজনীতিতে।একসময়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও চরমপন্থী নেতা হন।পারসোনালি Ak-47 ইউজ করতেন।তার ছিল নিজস্ব ডেথ স্কোয়াড।অস্ত্রে সংকটে একবার কুষ্টিয়া থানায় হামলা চালিয়ে ৫ পুলিশ সদস্যকে হত্যা করে অস্ত্রও লুট করিয়েছিলেন।আন্ডারওয়ার্ল্ডে তার খেতাবি নাম ছিল দাদা তপন।

রুপসা ঘাটের টোল নিয়ে বিরোধ থাকায় বিরোধী পক্ষকে ওপেন ব্রাশ ফায়ার করেন।নিহত হয় ৬ জন।প্রতিটি বড় কিলিং মিশনের পর একটি কমন প্যাটার্ন ছিল—লাশের পাশে বা ঘটনাস্থলে একটি চিঠি বা চিরকুট ফেলে রাখা।
যেখানে লেখা থাকত: “জনগণের শত্রুকে খতম করা হলো—দাদা **”

তার আপন ছোট ভাইকে দিয়ে পারসোনাল আইটি সেল পরিচালনা করতেন তিনি। তার বাহিনী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যশোহর,কুষ্টিয়া, ঝিনাইদা,মেহেরপুর,চূয়াডাঙ্গা মাগুরা,নড়াইল,সাতক্ষীরা, খুলনা,মংলা,বাগেরহাটে
হাই-প্রোফাইল খুন বা বোমাবাজি করার পরপরই খবরের কাগজ ও পুলিশ ফাঁড়িতে ফ্যাক্স বার্তা বা ফোন করে বুক ফুলিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করতেন এবং প্রশাসনকে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতেন। এই প্রচারণার কারণে তার নাম শুনলেই সাধারণ মানুষের হৃদস্পন্দন থেমে যেত।

কোনো কোনো এলাকায় প্রতিপক্ষ গ্রুপ যখন শক্তিশালী অবস্থানে থাকত, তখন তাদের যাতায়াতের কাঁচা রাস্তায় বা মেঠোপথে রিমোট কন্ট্রোলড বা শক্তিশালী দেশীয় তৈরি বোমা (আইইডি ) পুঁতে রাখা হতো। প্রতিপক্ষ দলের লাইন-কমান্ডাররা যখন দলবল নিয়ে হেঁটে বা মোটরসাইকেলে ওই পথ দিয়ে যেত, তখন দূর থেকে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে তাদের উড়িয়ে দেওয়া হতো।

(১৯৯২-২০০৮) ১৫ বছরের ক্যারিয়ারে একবারও জেল খাটেন নি,পুলিশের হাতে ধরাও পড়েন নি। দাদা তপন ২০০৮ সালের ১৮ জুন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বারাদি স্কুল পাড়া নামক স্হানে Rapit action Battalion (Rab) এর সাথে বন্দুক যুদ্ধে গুলাগুলিতে নিহত হন।

দাদা তপনের ক্রাইম হিস্ট্রি থেকে জানা গেছে,তিনি খুন করেছেন ১৫০ এর অধিক এবং বেশীর ভাগই জবাই।এখনো তার নাম শুনলে মানুষ ভয় পায়।বাম ধারার চরমপন্থী নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্ট (এমএল-জনযুদ্ধ)আঞ্চলিক প্রধান ছিলেন মসজিদের ইমাম থেকে ওঠে আসা এই দুর্ধর্ষ বামপন্থী টেরোরিস্ট আব্দুর রশিদ মালিথা ওরফে দাদা তপন।
তথ্য সূত্র ও ছবি:
# উইকিপিডিয়া।