বৃহস্পতিবার, 29 অক্টোবর 2026 · 00:19
সত্য ও ন্যায়ের পথে আপসহীনজনতার কণ্ঠস্বর, মানুষের খবর

শিবপুর ( নরসিংদী) সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরিফ সরকার কে ইন্টারপোলের মাধ্যমে দেশে ফেরত এনেছে পিবিআই।

মাহবুবুর রহমান খান: শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতিও বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদ খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরিফ সরকার (৪০)কে দুবাই থেকে গ্রেফতার করে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ৭ মে ২০২৬ তারিখের খবর অনুযায়ী ইন্টারপুলের সহায়তায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাকে ফিরিয়ে এনেছে । আসামীর  পরিচয়: আরিফ সরকার শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের কামারগাঁও […]

মাহবুবুর রহমান খান:

  • শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতিও বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন অর রশিদ খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরিফ সরকার (৪০)কে দুবাই থেকে গ্রেফতার করে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
    ৭ মে ২০২৬ তারিখের খবর অনুযায়ী ইন্টারপুলের সহায়তায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাকে ফিরিয়ে এনেছে ।
    আসামীর  পরিচয়: আরিফ সরকার শিবপুর উপজেলার পুটিয়া ইউনিয়নের কামারগাঁও গ্রামের  মৃত হাফিজ উদ্দিন সরকার এর ছেলে।
    গত ৬ই মে ২০ তারিখে তাকে দুবাই থেকে গ্রেফতারের পর বাংলাদেশে আনা হয় ।
    ঘটনার সূত্রপাত:
    ২০২৩ সালে ২৫ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসভবনে গুলিবিদ্ধ হন হারুনুর রশিদ খান এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ মে মারা  যান তিনি।
    এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায়  ইতোপূর্বে মহসিন মিয়া নামে আরেক আসামিকে দুবাই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।
    পিবিআই তদন্ত শেষে আরিফ সরকার সহ অন্যদের বিরুদ্ধে ২৫ নভেম্বর ২০০৫ তারিখে আদালতের চার্জশিট দাখিল করে। পিবিআই প্রধান মোঃ মোস্তফা কামাল  এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
    পিবিআই প্রধান বলেন, ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে আরিফ সরকারকে গ্রেফতার করে দুবাই পুলিশ। পরে বিষয়টি  বাংলাদেশ পুলিশ কে জানানো হলে পিবিআই ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সমন্বয়ে একটি বিশেষ টিম তাকে দেশে ফিরিয়ে আনে।  এরপর তাকে আদালতে সৌন্দর্য করা হয়।
    মামলার বিবরণ অনুযায়ী গ্রেপ্তার আরিফ সরকার সহ অন্যান্য আসামিদের পরিকল্পনায় ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালে  হারুন অর রশিদ খানকে নিজ বাসায় পিস্তল দিয়ে গুলি করে গুরুতর আহত করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই বছরের ৩১  মে তিনি মারা যান।
    এ ঘটনায়  ২৭ ফেব্রুয়ারি নিহতের ছেলে আমিনুর রশিদ খান বাদী হয়ে আরিফ সরকার সহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। প্রথমে পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে পরে বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে ২৩ জুন পিবিআই নরসিংদী মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে।
    গ্রেফতার আরিফ সরকার এর বিরুদ্ধে  হারুনুর রশিদ খান হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ পাওয়ায় পুলিশ সদর দপ্তরের এমসিবি বরাবরে আবেদন করে পিবিআই। আরিফ সরকার দুবাইতে অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে দেশে ফেরত আনার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তার বিরুদ্ধে আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়।
    পরে ইন্টারপোলের  রেড নোটিশের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত আনার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করা হয়। পরে মামলা তদন্ত শেষে পিবিআই গত বছরের ২৪ নভেম্বর আরিফ সরকার সহ অন্য আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
    পিবিআই প্রধান ডিআইজি মোস্তফা কামাল  আরো বলেন পরবর্তীতে ইন্টারপোলের সহায়তায় আরিফ সরকারকে গ্রেফতার করে বাংলাদেশ পুলিশকে অবহিত করলে পিবিআই এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ টিম আরিফ সরকারকে দুবাই থেকে গত ৬ মে বাংলাদেশে নিয়ে আসে।
    উল্লেখ্য এই হত্যার সঙ্গে জড়িত অন্যতম আসামি মহসিনকেও ইন্টারপোলের মাধ্যমে দুবাই থেকে গ্রেফতার করে দেশে   ফেরত আনে পিবিআই।

তথ্যসূত্র:

# পিবিআই, নরসিংদী।

# হারুনুর রশিদ খান এর পারিবারিক সূত্র।.

# বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ।

বি.দ্র. প্রতিবেদক– সম্পাদক ও প্রকাশক,  দৈনিক জনতার দেশ ( অনলাইন পোর্টাল)।

ছবি: ইন্টারনেট থেকে সংগৃহিত।