আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ছবিতে যাকে দেখছেন ওনি হচ্ছেন তুর্কমেনিস্তান এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট সেরদার বের্দিমুহামেদভ। এক কথায় ধরতে গেলে সকল তৌহিদি জনতার বাপ। ১২,৩০০ মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয় এর এ দেশটি পৃথিবীর একটা শান্ত ও স্থিতিশীল দেশ হিসেবে উল্লেখিত। ১৯৯১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত তারা ক্ষমতায়। ওনারা একটা জিনিস বুজতে পেরেছে দেশকে যদি ধনী আধুনিক ও স্থিতিশীল করতে হয় এসব উগ্রবাদী তৌহিদি জনতার থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে।
তুর্কমেনিস্তানে কোন মুসলিম রাস্তায় নামায পড়ে না কারন নামায এর জন্য মসজিদ আছে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট সেরদার বের্দিমুহামেদভ এর বাবা গুরবাঙ্গুলি বের্দিমুহামেদভ বুজতে পেরেছিলেন মাদ্রাসায় বেশির ভাগ উগ্রবাদী শিক্ষা দেওয়া হয় তাই সব ধরনের মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
পাশের দেশ আফগানিস্তানে যখন সন্ত্রাসবাদ চরম পর্যায়ে তখন তুর্কমেনিস্তান প্রেসিডেন্ট বর্ডার সিল করে দেয় আফগানিস্তানের সাথে।
এমনকি সরকারি অফিস বা খোলা যায়গায় কুরআন পাঠ, মাথায় টুপি দেওয়া সব নিষিদ্ধ করে দেন। রাত ১১ টার পর কোন মানুষ রাস্তায় বের হতে পারবে না। সংখ্যা লুঘু থেকে সংখ্যাগুরু যে অপরাধ করুক শাস্তি পেতে হবে। দেশটিতে সরকার বোরকা পরাও নিষিদ্ধ করে দেয় কারন ওখানে ধর্ষন বা ইভটিজিং এর কোন ঝুঁকি নেই। মদ্যপান করার উপর নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে দেন কিন্তু জনসমক্ষে নিষিদ্ধ।
কেউ যদি ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা আয়োজন করতে চায় তাও সরকার এর অনুমতি নিতে হবে। বিদেশ থেকে কোন পর্যটক গেলে নজর রাখা হয় আবার সন্ত্রাস বাদ ছড়ায় কি না। তুর্কমেনিস্তান এর কাছের মিত্র হচ্ছে রাশিয়া, চীন, ইরান, ভারত। প্রাচীনকাল থেকেই সিন্ধু সভ্যতা এবং সিল্ক রুটের মাধ্যমে ভারত ও তুর্কমেনিস্তানের মধ্যে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক বিদ্যমান। দিল্লির বিখ্যাত ‘তুর্কমেন গেট’ এর অন্যতম নিদর্শন। এক কথায় ভারত আর তুর্কমেনিস্তান এর সম্পর্ক সবচেয়ে পুরাতন। তুর্কমেনিস্তান সরকার বুজতে পারেন যে ইসরায়েল এর সাথে সম্পর্ক করা জরুরি তাই ইসরায়েল কে স্বীকৃতি দেয় কিন্তু কোন আন্দোলন হয় নি জনগণ জানতেও চায় নি কেন ইসরায়েল এর সাথে সম্পর্ক করলেন কারন ওনারা মানুষের মেন্টালিটি পরিবর্তন করে দিয়েছে। বর্তমান দেশ দুটির মধ্যে কৃষি, প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, পানি ব্যবস্থাপনা এবং জ্বালানি খাতে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বিদ্যমান। অনেক বছর ধরে তারা সংস্কৃতি ও শিক্ষার ক্ষেত্রেও নানা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
কেউ যদি আইন না মানে তাকে “ওভাদান দেপে” নাম জেল খানায় পাঠানো হয় এটি পৃথিবীর ৭ নাম্বার ভয়ানক জেল। এটি তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশগাবাত থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে কারাকুম মরুভূমির নির্জন এলাকায় অবস্থিত। এর নামটির অর্থ “সুন্দর পাহাড়”, যা এর ভেতরকার ভয়াবহ বাস্তবতার সাথে একেবারেই সাংঘর্ষিক।এই কারাগারটি মূলত রাজনৈতিক বন্দি, সাবেক সরকারি কর্মকর্তা এবং ধর্মীয় চরমপন্থার অভিযোগে অভিযুক্তদের আটকে রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এখানে বন্দিদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় বলে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বারবার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এখানে যে একবার যায় সে পঙ্গু হয়ে ফিরে আসে বা মারা যায়।
এক কথায় তুর্কমেনিস্তান এর মাধ্যমে বুজা যায় মুসলিম প্রধান দেশ হলে ভালো দেশ গড়া যায়। এ মহান ব্যাক্তিকে কেমন লাগলো বলে যান।
সম্প্রতি তুর্কমেনিস্তান এ দাড়ি রাখাও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়৷
Collected from facebook.
তুর্কমেনিস্তানের প্রেসিডেন্ট এর ধর্মীয় অনুশাসনের আজব নীতি।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ছবিতে যাকে দেখছেন ওনি হচ্ছেন তুর্কমেনিস্তান এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট সেরদার বের্দিমুহামেদভ। এক কথায় ধরতে গেলে সকল তৌহিদি জনতার বাপ। ১২,৩০০ মার্কিন ডলার মাথাপিছু আয় এর এ দেশটি পৃথিবীর একটা শান্ত ও স্থিতিশীল দেশ হিসেবে উল্লেখিত। ১৯৯১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত তারা ক্ষমতায়। ওনারা একটা জিনিস বুজতে পেরেছে দেশকে যদি ধনী আধুনিক ও স্থিতিশীল […]
