মাদক- সন্ত্রাস নির্মূলে রায়পুরা থানা পুলিশের প্রশাসনিক ভুমিকা ও সফলতা।
05 Aug 2026 • ক্রাইম ডায়েরি

- ♣মো: মাহবুবুর রহমান খান:
গ্রাম-গঞ্জ, নগর-বন্দর,রাস্তা-ঘাট,হাট-বাজার, অলি-গলি চারদিকে শুধু মাদক আর মাদক।হাত বাড়ালেই যত্রতত্র মিলছে মরণ নেশা মাদক।খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ,চাকরিজীবী, পেশাজীবী, স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র,উঠতি বয়সের যুবক সবাই আজ মাদকাসক্ত।এগুলোর মধ্যে রয়েছে ইয়াবা টেপেন্ডাডল ট্যাবলেট,ফেনসিডিল,গাঁজা অন্যতম।তবে ইয়াবার সাপ্লাই সবচেয়ে বেশি। ইয়াবাতে সয়লাব সারাদেশ। আগে ফেনসিডিল, গাঁজার চোরাচালান বেশি থাকলে ও টেকনাফে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর আগমনে ইয়াবা চোরাচালান ব্যবসা জমজমাট। অপরাধী গ্রেফতারের পর আইনের ফাঁক -ফোকর দুর্বল হওয়ার কারণে তারা সহজেই।বের হয়ে এসে পুনরায় মাদক ব্যবসাতেই লিপ্ত হচ্ছে। প্রতিদিন সারা দেশে শত শত মাদক ক্রেতা বিক্রেতা,সরবরাহকারীকে পুলিশ গ্রেফতার করছে।তারপরও থামছেেনা এই লাভজনক ব্যবসা।ইদানিং নরসিংদির রায়পুরা থানাতে প্রতিদিন ৫/৭ জন করে মাদক সিন্ডিকেট সদস্য গ্রেফতার হচ্ছে। মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে পুলিশের আন্তরিকতার কোন ঘাটতি নেই।তাদের ধরতে নির্ঘুম দিন পার করছে পুলিশ প্রশাসন। শুধু নরসিংদীতে তা সীমাবদ্ধ নহে সমগ্র বাংলাদেশে একই চিত্র বিদ্যমান।যতদিন না মাদক ক্রেতা বিক্রেতা সরবরাহকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না হবে ততদিন দেশ ও জাতি তথা আমাদের নতুন প্রজন্মের ধ্বংস অনিবার্য।সমাজ পরিবার তথা যুব সমাজের অবক্ষয় রোধে সরকারকে কঠোর আইন করে এই ভয়াবহ থাবা থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি যা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্ট।এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কিছুদিন আগে রাষ্ট্রীয় বিবৃতি দিয়েছেন, মাদক ক্রেতা,বিক্রেতা কিংবা সরবরাহকারী যিনিই অভিযুক্ত তার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড।আইনটি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় দেশবাসী।
** মাদক দ্রব্য ব্যবহার,কেনা বেচা সরবরাহ বন্ধে রায়পুরা থানা পুলিশের অভিযান ও কৃতিত্ব **
৪/৫ দিন আগে রায়পুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক আবাসিক চিকিৎসক কে ইয়াবা সহ হাতে নাতে গ্রেফতার করে রায়পুরা থানা পুলিশ।পুলিশের সাড়াশি অভিযানে প্রতিদিনই রায়পুরার কোন না কোন স্হান থেকে গ্রেফতার হচ্ছে মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যরা।রায়পুরার ২৪ টি ইউনিয়নে এই অভিযান অব্যাহত আছে।সমগ্র রায়পুরাকে মাদক সন্ত্রাস মুক্ত একটি জনপদ হিসাবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন রায়পুরা থানার বর্তমান ওসি মজিবুর রহমান এবং ওসি অপারেশন মো: নাজমুল হাসান।তারই ধারাবাহিকতায় গত কাল ৪ আগস্ট মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯ টা ৪৫ মিনিটে আমিরগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সোহরাব হোসেন এবং এএসআই সোহাগ ভুঁইয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আদিয়াবাদ দক্ষিণপাড়া সাকিনে জনৈক সাইজুদ্দিনের বাড়ির উত্তর পাশ হইতে মাদক ব্যবসায়ী ১/ নুরে আলম (২৩), পিতা-মৃত শাহাবুদ্দিন মেম্বার সাং-আদিয়াবাদ দক্ষিণপাড়া কে ৩৫ (পয়এিশ) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ আটক করে থানায় প্রেরণ করেন।উক্ত বিষয়ে নিয়মিত মামলা রুজুর প্রস্ততি চলছে বলে ফাঁড়ি ইনচার্জ সোহরাব হোসেন জনতার দেশ কে জানিয়েছেন। পুলিশ সহ সকল আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্ঠায় সারাদেশ একটি মাদক সন্ত্রাস মুক্ত জনপদ হিসেবে গড়ে ওঠুক এটাই আমাদের কাম্য।
প্রতিবেদক
সম্পাদক -প্রকাশক
দৈনিক জনতার দেশ।
