বুধবার, 28 অক্টোবর 2026 · 23:13
সত্য ও ন্যায়ের পথে আপসহীনজনতার কণ্ঠস্বর, মানুষের খবর

লোহাগড়ায় ১৬ হাজার পিস ইয়াবে উদ্ধারে কেন্দুয়ার ২ নারী সহ ৪:জন গ্রেফতার।

শাহ আলী তৌফিক রিপন : চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি প্রাইভেটকারের গোপন চেম্বার থেকে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের দুই নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া দুই নারী হলেন, কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের […]

শাহ আলী তৌফিক রিপন :

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে একটি প্রাইভেটকারের গোপন চেম্বার থেকে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের দুই নারীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া দুই নারী হলেন, কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের বিদ্যাবল্লভ গ্রামের মৃত ফারুক মিয়ার মেয়ে প্রিয়া আক্তার (২৪) ও লিপা আক্তার (১৯)। এছাড়া গ্রেপ্তার অপর দুইজন হলেন পলাশ মাহমুদ (৩৬) ও মো. সজীব মিয়া (২৮)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (১ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতী ইউনিয়নে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে চুনতী রেঞ্জ বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত পুলিশ চেকপোস্টে নিয়মিত তল্লাশিকালে কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী একটি সন্দেহভাজন প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ-৩১-৪৮৬৩) থামানো হয়।
পরে গাড়িটি তল্লাশি করে বাম পাশের পেছনের চাকার ওপরের বডির ভেতরে বিশেষ কৌশলে তৈরি করা গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা ১৬ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় গাড়িতে থাকা চারজনকে আটক করা হয় এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া লোহাগাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোবিন্দ চন্দ্র দাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান ঢাকায় পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। মাদকগুলো গাড়ির কাঠামোর ভেতরে অত্যন্ত কৌশলে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। প্রাথমিকভাবে তাদের মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই নারী কেন্দুয়া উপজেলার বাসিন্দা হওয়ায় বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।